Home » চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা ককে বলে ও উদাহরণসহ এর সূত্র

চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা ককে বলে ও উদাহরণসহ এর সূত্র

by Rezaul Karim
চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা কাকে বলে, চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতার সূত্র,

ক্রেতার আর্থিক আয়ের পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন দ্রব্যের চাহিদা বিভিন্ন পরিমাণে পরিবর্তিত হয়। ক্রেতার আয়ের পরিবর্তনের ফলে এবং দাম অপরিবর্তিত থাকলে কোনো দ্রব্যের চাহিদার যে পরিবর্তন ঘটে তার হারকে আয় স্থিতিস্থাপকতা বলে।

অর্থনীতিবিদ ববার (Bober)-এর মতে, “আয়ের পরিবর্তনের ফলে চাহিদা যে মাত্রায় সাড়া দেয় তাই হলো চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা।”

অধ্যাপক লিপসির মতে, আয়ের পরিবর্তনের ফলে কোনো দ্রব্যের চাহিদার সাড়া দেওয়ার মাত্রাকে চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা বলে। (The responsiveness of demand for a commodity to change in income is terned income elasticity of demand.)

চাহিদার দাম স্থিতিস্থাপকতা কি ও এর সূত্র ব্যাখ্যা কর

সূত্র

চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতার সূত্রটি নিম্নরূপ-

চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা = চাহিদার পরিবর্তনের হার/আয় পরিবর্তনের হার

= চাহিদার পরিবর্তনের পরিমাণ/প্রাথমিক চাহিদা

= আয়ের পরিবর্তন/প্রাথমিক আয়

বা EY = ΔQ/Q ÷ ΔY/Y

= ΔQ/Q × Y/ΔY

= ΔQ/ΔY × Y/Q

এখানে,

EY = চাহিদার্ আয় স্থিতিস্থাপকতা

AQ = চাহিদার পরিবর্তনের পরিমাণ

Q = প্রাথমিক চাহিদা

ΔY = আয়ের পরিবর্তন

Y = প্রাথমিক আয়।

চাহিদার স্থিতিস্থাপকতা কাকে বলে ও চাহিদার স্থিতিস্থাপকতার সূত্র

উদাহরণ: একজন ভোক্তার আয় 10,000 টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে 15,000 টাকা হওয়ায় তার দ্রব্যের চাহিদা 100 একক থেকে বেড়ে 150 একক হয়।

এক্ষেত্রে, Q1 = 150, Q = 100, Y1 = 15000, Y = 10000

∴ ΔQ = (Q1 – Q)

= (150-100)

= 50

ΔY = (Y1 – Y)

= (15000 – 10000)

= 5000 আমরা জানি,

চাহিদার আয় স্থিতিস্থাপকতা,

Ey = ΔQ/ΔY × Y/Q

= 50/5000 × 10000/100

∴ Ey = 1

Related Posts